- কী নির্মাণ হচ্ছে আলী আমজদের ঘড়িঘরে- এম এ হোসেইন
- ১৭ বছর হতে কমিটি বিহীন লোটন বিএনপি!! দুই গ্রুপের মধ্যে নেতৃত্ব নিয়ে সংঘর্ষ!!
- সময়ের দলিল সৈয়দ নবীব আলী মহাবিদ্যালয় গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকৌশলীর ১৬ কোটির বেশি অবৈধ সম্পদ!
- সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীকে অপহরণ, ধর্ষণের পর হত্যা
- ইউকে রেনেসাঁ সাহিত্য মজলিসের উদ্যোগে: কবি আলিফ উদ্দিন ও কবি মুকুল চৌধুরীর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- Al Arafa TV UK, স্পিকার কবি আলিফ উদ্দিন সাহেবের ইন্তেকাল
- টাওয়ার হ্যাটাওয়ারহেমলেটস কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভায় এসপায়ার পার্টির জয় জয়কার
- বার্মিংহামে ‘Fully Functional International Airport’-এর দাবিতে ৩১ সদস্যের ক্যাম্পেইন কমিটি গঠন
- সিলেট ওসমানী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ইসুতে রেমিট্যান্স বন্ধ ও বিমান বয়কটে সিলেটবাসী ঐক্য বদ্ধ
» কী নির্মাণ হচ্ছে আলী আমজদের ঘড়িঘরে- এম এ হোসেইন
প্রকাশিত: 29. August. 2025 | Friday

কী নির্মাণ হচ্ছে আলী আমজদের ঘড়িঘরে – এম এ হোসেইন
নিউজ ডেস্ক :
সিলেটের ১৫১ বছরের ঐতিহ্যবাহী আলী আমজদের ঘড়িঘর ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঐতিহাসিক এ স্থাপনার ভেতরে জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে একটি স্মৃতিফলক (স্ট্রিট মেমোরি স্ট্যাম্প) নির্মাণ করা হচ্ছে। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ঐতিহ্য রক্ষায় কাজ করা সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, নতুন এই স্থাপনা ঘড়িঘরের মূল সৌন্দর্য আড়াল করে দিচ্ছে। এ বিষয়ে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা, সংক্ষুব্দ নাগরিক আন্দোলন, পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি আবদুল করিম কিম বলেন—
“আলী আমজদের ঘড়ি সিলেটের একটি ল্যান্ডমার্ক। ঘড়িঘরের ভেতরে নতুন স্থাপনা মূল কাঠামো ও ঐতিহাসিক সৌন্দর্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং আইন অনুযায়ীও এটি বেআইনি।”
সরকারের উদ্যোগে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে সিলেট নগরের বিভিন্ন স্থানে চারটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি ঘড়িঘরের ভেতরে স্থাপিত হচ্ছে শহীদ পাবেল আহমদ কামরুল ও শহীদ পঙ্কজ কুমার কর-এর স্মরণে।
তবে সমালোচকরা বলছেন— শহীদদের স্মরণে স্মৃতিফলক অবশ্যই প্রয়োজনীয়, কিন্তু এর জন্য ঐতিহাসিক ঘড়িঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করা ঠিক নয়। সিলেট শহরে বহু উন্মুক্ত জায়গা রয়েছে, সেগুলোতেই স্মৃতিফলক তৈরি করা যেতে পারত।
সিলেট সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি স্থান নির্ধারণ করেছে এবং স্মৃতিফলক নিরাপত্তা ও পথচারীদের চলাচলের সুবিধা বিবেচনা করেই এ জায়গা নির্বাচন করা হয়েছে।
১৮৭৪ সালে জমিদার নবাব আলী আহমদ খান তাঁর ছেলে আলী আমজদের নামে ঘড়িঘরটি নির্মাণ করেছিলেন। আজ এটি সিলেটের ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এখন প্রশ্ন উঠেছে— নতুন স্থাপনা নির্মাণের কারণে কি ইতিহাসের অংশ হারিয়ে যাবে?
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেইন
What is Being Built Inside Ali Amzad’s Clock Tower?
A fresh controversy has erupted in Sylhet centering around the 151-year-old heritage site Ali Amzad’s Clock Tower. A memorial plaque (“Street Memory Stamp”) is currently being constructed inside the compound to honor the martyrs of the July Uprising.
Heritage activists and citizens have expressed frustration, claiming the new structure is blocking and damaging the original beauty and architectural heritage of the historic clock tower.
On Monday, organizations including Dhritri Rokkhay Amra, Songkhubdo Nagorik Andolon, and the Environment & Heritage Protection Trust submitted a memorandum to the Deputy Commissioner demanding an immediate halt to the construction.
Abdul Karim Kim, Trustee of the Environment and Heritage Protection Trust, said:
“Ali Amzad’s Clock Tower is a landmark of Sylhet. Constructing a new memorial within its boundary is inconsistent with its historical design and violates heritage protection laws.”
As part of a government project, four memorial plaques are being built across Sylhet in memory of the martyrs of the July Uprising. Two of them are now being installed inside the clock tower area, in honor of Shaheed Pavel Ahmed Kamrul and Shaheed Pankaj Kumar Kor.
Critics argue that while memorializing the martyrs is essential, it should not come at the cost of destroying or overshadowing another historic monument. Sylhet city has many open spaces that could have been more suitable.
Meanwhile, the Sylhet City Corporation defended the project, stating that the site was finalized by a committee led by the Deputy Commissioner, considering both security and pedestrian access.
Built in 1874 by zamindar Nawab Ali Ahmed Khan in memory of his son Ali Amzad Khan, the clock tower stands as a symbol of Sylhet’s heritage. Today, questions remain—will this new addition preserve history, or erase part of it?
Editor & Publisher: Mohammad Anwar Hossain
আপনি কি চান আমি এটিকে সংক্ষিপ্ত নিউজ পোস্ট (৩০০ শব্দের মধ্যে) আকারে বানিয়ে দিই, যেন ফেসবুক/ওয়েবসাইটে ছোট আকারে দেওয়া যায়?
[hupso]সর্বাধিক পঠিত খবর
- BCA Awards Ceremony 2024
- শাহ আলম UAE সংবাদ প্রতিনিধি হিসেবেপ দায়িত্ব গ্রহণ
- GSWA এর উপদেষ্টা সৈয়দ জাকির হোসেনের ইন্তেকাল
- বাংলাদেশ সেন্টারের বার্ষিক সাধারণ সভায় দেলোয়ার হোসেনের অনৈতিক কর্মকান্ডে বিক্ষুব্ধ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ
- প্রবাসীদের ১৭ টি দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সাথে ২৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠক