- যুক্তরাজ্যে সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের ৪৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা
- রাজাগঞ্জ মাদ্রাসাতুশ শায়েখ আরশাদ আল-মাদানীর ঐতিহাসিক সাফল্য
- বিএনপি সরকার গঠনের পরে, রাষ্ট্র সংস্কার ও আইন-শৃঙ্খলা পুনর্গঠনে ৬ মাস
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানীর প্রতি কেন এতো বৈষম্য – এম এ হোসেইন ইউকে
- টাওয়ার হ্যামলেটে নিম্ন আয়ের বাসিন্দাদের ব্যয় সহায়তা বৃদ্ধির যুগান্তকারী ঘোষণা
- এমপি এমরান চৌধুরীর সঙ্গে আলীনগর ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় ১০টি সিদ্ধান্ত গৃহীত
- এথেন্সে অনুষ্ঠিত হলো বাংলা ইউরোভিশন অ্যাওয়ার্ডস ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা সম্মেলন ২০২৬
- ঢাকার মিরপুরে – অবহেলিত মৃত মায়ের পচা দুর্গন্ধ লাশ উদ্ধার! সমাজের জন্য সতর্ক বার্তা!
- লুটন বিএনপির উদ্যোগে: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল
- সিলেট-চারখাই-শেওলা সড়ককে মহাসড়কে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে ২,৫০৬ কোটি টাকার বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদিত
» ছাত্রনেতা থেকে জননেতা সিলেটের রাজপথে কামরুল হাসান চৌধুরী
প্রকাশিত: 12. May. 2026 | Tuesday
ছাত্রনেতা থেকে জননেতা সিলেটের রাজপথে কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিনের তিন দশকের লড়াই
নিউজ ডেস্ক :
সিলেটের ছাত্র-রাজনীতির এক কিংবদন্তী নাম কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিন। ছাত্ররাজনীতির উত্তাল আঙিনা থেকে উঠে আসা এই নেতা এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গণরাজনীতিতে। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ের রাজনৈতিক পথচলায় হামলা, মামলা, জেল-জুলুম আর হুলিয়া তাঁর নিত্যসঙ্গী হলেও শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে তিনি একবিন্দু বিচ্যুত হননি।
কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিন ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৪ সালে তিনি সিলেট জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ১৯৯৮-২০০০ মেয়াদে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সংগঠন পরিচালনা করেন।
স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী রেজিমের দীর্ঘ ১৭ বছরের অপশাসমের বিরুদ্ধে প্রতিটি লড়াইয়েই শাহিন ছিলেন সম্মুখসারির যোদ্ধা। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নামকরণ বিরোধী আন্দোলনে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। এছাড়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি বারবার রাজপথে রক্তাক্ত হয়েছেন।
২০১৩-১৪ সালের আন্দোলনে তিনি ভয়াবহ পুলিশি নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের শিকার হন। গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তিনি সক্রিয়ভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলনকে বেগবান করেছেন। নানা প্রলোভন কিংবা প্রাণনাশের হুমকি তাঁকে কখনো বিচলিত করতে পারেনি।
২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। পরে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশ নেননি। দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে গেছেন নিবিড়ভাবে।
দেশনায়ক তারেক রহমানের ‘রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা’ কর্মসূচি এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিন আজও রাজপথে অবিচল রয়েছেন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে।
তাঁর সাংগঠনিক যোগ্যতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৯ সালে তাঁকে স্থান দেওয়া হয় সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে। তিনি জেলা বিএনপির একজন সিনিয়র সদস্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃণমূলের বিএনপির আস্থার নাম কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিন ২০২২ সালের জেলা বিএনপির কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা ছিল তাঁকে ঘিরে, কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রে তাঁকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়। এতে নেতাকর্মীরা আশাহত হয়। দলও বঞ্চিত হয় একজন তুখোড় সংগঠকের সামনের সারির নেতৃত্ব থেকে।
বর্তমানে সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিন। সিলেট মহানগরসহ জেলাব্যাপী তাঁর রয়েছে ব্যাপক সাংগঠনিক ভিত্তি। বিশেষ করে সিলেট শহরের সাপ্লাই এলাকায় বিএনপির রাজনীতিকে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শক্তিশালী অবস্থানে রেখেছেন। তাঁর সাথে একঝাঁক উদীয়মান ছাত্রনেতা সব সময় সক্রিয়, যাদের কাছে তিনি এক নির্ভরতার নাম। তারাই সিলেট বিএনপির যেকোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নে ছিল আস্থার নাম।
তাঁকে ঘিরে নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা অনেক। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার গণসম্পৃক্ত নেতাদের মূল্যায়ন করছে; এর ধারাবাহিকতায় নেতাকর্মীরা আশা করছে জেলা বিএনপির *সাধারণ সম্পাদক পদে তাঁর মূল্যায়নের।
ছাত্ররাজনীতি থেকে গণমানুষের রাজনীতিতে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিন দল কর্তৃক যথাযথ মূল্যায়িত হননি। জেলা বিএনপির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক হওয়ার মতো প্রবল যোগ্যতাসম্পন্ন একজন রাজনীতিককে দলের উপদেষ্টা কমিটিতে রাখা সত্ত্বেও তিনি যেভাবে দলকে সময় দেন, সংগঠন ও নেতাকর্মীদের ধরে রাখেন–তাতে তাঁর দলের প্রতি নিবেদন স্পষ্ট। এমন ত্যাগী একজন নেতাকে মূল্যায়ন না করলে দলই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা হবে আশাহত।
[hupso]সর্বশেষ খবর
- যুক্তরাজ্যে সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের ৪৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা
- রাজাগঞ্জ মাদ্রাসাতুশ শায়েখ আরশাদ আল-মাদানীর ঐতিহাসিক সাফল্য
- বিএনপি সরকার গঠনের পরে, রাষ্ট্র সংস্কার ও আইন-শৃঙ্খলা পুনর্গঠনে ৬ মাস
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানীর প্রতি কেন এতো বৈষম্য – এম এ হোসেইন ইউকে
- টাওয়ার হ্যামলেটে নিম্ন আয়ের বাসিন্দাদের ব্যয় সহায়তা বৃদ্ধির যুগান্তকারী ঘোষণা
সর্বাধিক পঠিত খবর
- BCA Awards Ceremony 2024
- GSWA এর উপদেষ্টা সৈয়দ জাকির হোসেনের ইন্তেকাল
- প্রবাসীদের ১৭ টি দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সাথে ২৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
- বাংলাদেশ সেন্টারের বার্ষিক সাধারণ সভায় দেলোয়ার হোসেনের অনৈতিক কর্মকান্ডে বিক্ষুব্ধ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ
- ১৭ বছর হতে কমিটি বিহীন লোটন বিএনপি!! দুই গ্রুপের মধ্যে নেতৃত্ব নিয়ে সংঘর্ষ!!
এই বিভাগের আরো খবর
- যুক্তরাজ্যে সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের ৪৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা
- রাজাগঞ্জ মাদ্রাসাতুশ শায়েখ আরশাদ আল-মাদানীর ঐতিহাসিক সাফল্য
- বিএনপি সরকার গঠনের পরে, রাষ্ট্র সংস্কার ও আইন-শৃঙ্খলা পুনর্গঠনে ৬ মাস
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানীর প্রতি কেন এতো বৈষম্য – এম এ হোসেইন ইউকে
- টাওয়ার হ্যামলেটে নিম্ন আয়ের বাসিন্দাদের ব্যয় সহায়তা বৃদ্ধির যুগান্তকারী ঘোষণা


