- বিএনপিকে বিজয়ী করতে স্বদেশ যাচ্ছেন ইউকে বিএনপি নেতৃবৃন্দ
- বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বরণে দোয়া মাহফিল
- বিমান বয়কট রেমিট্যান্স বন্ধ করার পরিকল্পনা
- দেশ পত্রিকার একযোগ পূর্তী অনুষ্ঠান সম্পন্ন
- বিমানের ম্যানচেষ্টার টু সিলেট -ঢাকা ফ্লাইট বন্ধে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র প্রতিবাদ সভা
- ২০২৬ নববর্ষের শুভেচ্ছা
- সিলেট প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন
- সংগ্রামী জীবনের নাম খালেদা জিয়া – এম এ হোসেইন
- গ্রটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
- বৃটেনের কার্ডিফ শাহজালাল বাংলা স্কুলে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন
» ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবেন বাদী-বিবাদীরা
প্রকাশিত: 20. November. 2024 | Wednesday
সংশোধিত ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ অধ্যাদেশে বাদী-বিবাদীদের জন্য আন্তর্জাতিক আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এ কথা জানান।
এদিন দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ত্রয়োদশ বৈঠকে ‘আন্তর্জাতিক ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) (অ্যামেন্টমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৪’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, আসামিপক্ষ বা ডিফেন্স ফোর্স যে কেউ চাইলে আন্তর্জাতিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবেন। এই আইনের নতুন একটি চমৎকার বিধান হয়েছে যে, পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিধানের স্পষ্ট করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বা দেশি যে কোনো মানবাধিকার সংগঠন, যে কেউ চাইলে এই বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। বিচারকাজ শুদ্ধ হচ্ছে কি না, সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা উপস্থিত থেকে মনিটরিং করতে পারবেন।
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, নতুন আইনে ট্রাইব্যুনাল ইচ্ছে করলে (বাধ্যতামূলক না) বিচারকাজ অডিও ভিজ্যুয়াল রেকর্ড করে প্রচার করতে পারবেন। ওনারা যদি মনে করেন, এটা প্রচার করা দরকার তাহলে যে কোনো অংশ প্রচার করতে পারবেন। তবে যে পক্ষগুলো আছে ডিগনিটি, প্রাইভেসি ও অধিকার; সেগুলোতে নজর রেখে সেটা করা হবে।
তিনি বলেন, আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ সরাসরি সম্প্রচার নয়, রেকর্ড করে প্রচার করা যাবে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, বিচারটি যেন আন্তর্জাতিক মানের হয়, সেজন্য দেশি-বিদেশি আইনজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়েই সংশোধন করা হয়েছে। এ্ই আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সবার সমান সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ১৯৭৩ সালের আইনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখবেন, নতুন আইনে অভিযুক্তদের বেশি সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো পক্ষ চাইলে তারা সাক্ষ্য আনতে পারবেন। সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবেন।
[hupso]সর্বশেষ খবর
- বিএনপিকে বিজয়ী করতে স্বদেশ যাচ্ছেন ইউকে বিএনপি নেতৃবৃন্দ
- বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বরণে দোয়া মাহফিল
- বিমান বয়কট রেমিট্যান্স বন্ধ করার পরিকল্পনা
- দেশ পত্রিকার একযোগ পূর্তী অনুষ্ঠান সম্পন্ন
- বিমানের ম্যানচেষ্টার টু সিলেট -ঢাকা ফ্লাইট বন্ধে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র প্রতিবাদ সভা
সর্বাধিক পঠিত খবর
- BCA Awards Ceremony 2024
- শাহ আলম UAE সংবাদ প্রতিনিধি হিসেবেপ দায়িত্ব গ্রহণ
- GSWA এর উপদেষ্টা সৈয়দ জাকির হোসেনের ইন্তেকাল
- বাংলাদেশ সেন্টারের বার্ষিক সাধারণ সভায় দেলোয়ার হোসেনের অনৈতিক কর্মকান্ডে বিক্ষুব্ধ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ
- প্রবাসীদের ১৭ টি দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সাথে ২৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
এই বিভাগের আরো খবর
- বিএনপিকে বিজয়ী করতে স্বদেশ যাচ্ছেন ইউকে বিএনপি নেতৃবৃন্দ
- বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বরণে দোয়া মাহফিল
- বিমান বয়কট রেমিট্যান্স বন্ধ করার পরিকল্পনা
- দেশ পত্রিকার একযোগ পূর্তী অনুষ্ঠান সম্পন্ন
- বিমানের ম্যানচেষ্টার টু সিলেট -ঢাকা ফ্লাইট বন্ধে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র প্রতিবাদ সভা


